যারা পার্টনার ড্যান্সে চমৎকার সব লিফট বা উত্তোলনের দৃশ্য দেখেন, তারা প্রায়ই মনে করেন এর পেছনে জিমে বছরের পর বছর ধরে করা কঠোর শারীরিক পরিশ্রম রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন: অনায়াসে করা একটি লিফটের আসল জাদু লুকিয়ে আছে পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মের মধ্যে। সঠিক লিফটিং কৌশল ছাড়া পেশির শক্তি খুব একটা কাজে আসে না, কারণ লিভারের ভুল ব্যবহারের ফলে তোলার ওজন বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে যখনই ড্যান্স পার্টনাররা তাদের শরীরের লিভারের সূত্রগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করতে শেখে, তখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আর ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় না।
এর মূল চাবিকাঠি হলো দুই পার্টনারের শরীরের ভরকেন্দ্রের মধ্যকার দূরত্ব যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা। পার্টনার যার ওপর ভর করা হচ্ছে, তার ঘূর্ণন কেন্দ্র থেকে যত দূরে থাকবে, তার পিঠের ওপর টর্ক বা ঘূর্ণন বল তত বাড়বে। পার্টনারকে সচেতনভাবে নিজের শরীরের অক্ষের কাছে টেনে আনার মাধ্যমে লোড আর্ম বা ভারের বাহু কমিয়ে আনা সম্ভব। এর ফলে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং ভারসাম্য বজায় থাকে, যা কঠিন পোজগুলোকেও নিরাপদে ধরে রাখা সম্ভব করে তোলে।