হাতের চলনের পথ বাজানোর শর্ত বদলে দেয়
হাত নাড়িয়ে বাজালে হাতের অবস্থান ও তার ওপর পড়া চাপ বদলে যায়। এ সময় কাঁধ উঁচু করে রাখলে, বুড়ো আঙুলে বেশি টান দিলে বা কবজি বাঁকিয়ে রাখলে, পরিচিত আঙুলের চলন সীমিত হয়ে যেতে পারে। তাই কোনো স্বর বাদ পড়লেই যে ছন্দের ধারায় ভুল হয়েছে, তা নয়। হাতের গতি বাড়ানোর বা তার দিক বদলানোর ঠিক সেই জায়গায় স্বরটি বাদ পড়তে পারে।
এই অনুশীলনে স্বরের ধারা ইচ্ছে করেই সহজ রাখা হয়েছে: আগে শেখা একক আঘাতগুলো ব্যবহার করো, যেমন ডান ও বাঁ হাতে পালা করে প্রতি মাত্রায় একটি করে আঘাত। আটটি মাত্রা শুধু অনুশীলনের ধাপগুলো সাজায়। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট পালোর কম্পাসের নিয়ম নয়। আপাতত কারেতিয়া, কবজির নতুন ঘূর্ণন এবং মাথার ওপর দিয়ে হাতের বড় চলনও বাদ রাখো।
হাত নাড়িয়ে করা প্রতিটি পুনরাবৃত্তির স্বর শান্ত হাতে বাজানোর স্বরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখো। ডান ও বাঁ হাতের কাস্তানিয়েতার স্বর একই রকম হতে হবে না। আসল কথা, প্রতিটি হাতের স্বর যেন স্পষ্ট থাকে। অনুশীলনের ছোট ছোট পর্ব দুই ক্লাসের মাঝের অনুশীলন পরিকল্পনা দিয়ে ভাগ করে নেওয়া যায়। হাতের চলনের পথ বাড়ানোর পাশাপাশি বাজানোর সময়ও বাড়িয়ো না: এতে নাচের চাপ ধাপে ধাপে বাড়ানোর সময় কোন পরিবর্তনটি তোমার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তা বোঝা যায়।


