শ্রোণি ও বক্ষপিঞ্জর গড়ে তোলে স্থিতিশীল সংযোগ
ফ্লামেনকো (Flamenco)-এর দেহভঙ্গিতে শ্রোণি হলো ধড়ের ভিত্তি। উপযোগী প্রারম্ভিক অবস্থানটি দুটি চরম অবস্থার মাঝামাঝি: শ্রোণি অনেকটা সামনে কাত করা, যাতে কোমরের নিচের অংশে স্পষ্ট খাঁজ তৈরি হয়, আর শ্রোণি জোরে ভেতরের দিকে গুটিয়ে নিতম্ব চেপে ধরা। তোমার জন্য উপযুক্ত শ্রোণির অবস্থান মিলিমিটার মেপে ঠিক করা কোনো ছক নয়। শরীরের গঠন এবং মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বাঁক একেকজনের একেক রকম।
এর ওপর ভর করে থাকে বক্ষপিঞ্জর। শ্রোণি ও বক্ষপিঞ্জরকে একটির ওপর আরেকটি ঠিকমতো সাজানোর কথা ভাবলে পাঁজর অনিচ্ছাকৃতভাবে সামনে ঠেলে দেওয়া এড়াতে সাহায্য হয়। এর মানে মেরুদণ্ডকে জ্যামিতিকভাবে সোজা করা নয়। সোজা ভঙ্গি পিঠের স্বাভাবিক বাঁকগুলো বজায় রাখে, জোর করে সেগুলো মসৃণ করে দেয় না। এতে তুমি শরীরকে লম্বা করতে পারো, পেট সামনে আর কাঁধ পেছনে না ঠেলেই।
বুকের হাড় ওপরে উঠতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো, এতে তুমি পুরো বক্ষপিঞ্জর সামনে ঠেলে দিচ্ছ, নাকি শরীরের সামনের দিকটাকে আলতো করে লম্বা হতে দিচ্ছ। এ সময় একেবারে নিচের পাঁজরগুলোকে দৃশ্যমানভাবে ভেতরে টেনে নেওয়ার দরকার নেই। শুধু বড়সড় ভঙ্গি দেখানোর জন্য যেন সেগুলো সব সময় সরে না থাকে, সেটুকুই খেয়াল রাখতে হবে।
শরীরের এই অংশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক মৌলিক ফ্লামেনকো কৌশলের একটি অংশ। এখানে ধড়ের কথা বলা হচ্ছে, পায়ের আঘাতের কৌশল বা ওজন সরানোর প্রক্রিয়া নয়।

