অনুষ্ঠানের সূচি অংশগ্রহণ আর দর্শক হওয়াকে আলাদা করে
ডুসেলডর্ফে কোনো নৃত্যানুষ্ঠানকে বুঝতে চাইলে তিনটি শব্দ বিশেষভাবে কাজে আসে: অতিথিদের নাচ, প্রদর্শনী পর্ব এবং নাচের সংগীত। এগুলো অভিজ্ঞতার আলাদা আলাদা অংশকে বোঝায়। অতিথিদের নাচের জন্য থাকে নাচের মেঝে। প্রদর্শনী পর্বে পরিবেশন করেন শিল্পীরা। নাচের সংগীত বলতে প্রথমত সংগীতের ভূমিকা বোঝায়, তবে এতে কখন এবং কতক্ষণ তুমি নাচতে পারবে, তা জানা যায় না।
উদাহরণ হিসেবে, “অভ্যর্থনা, নৈশভোজ, প্রদর্শনী, তারপর নাচ” এমন একটি ঘোষণা স্পষ্ট ক্রমের কথা বলে: অনুষ্ঠানের অন্য পর্বগুলো শেষ হওয়ার পরই তুমি নাচতে পারবে। অন্যদিকে, “পরিবেশনাগুলোর মাঝে নাচের পর্ব” বললে বোঝায়, নাচ আর পরিবেশনা পালা করে হবে। দুই ধরনের অনুষ্ঠানই জাঁকজমকপূর্ণ হতে পারে, তবে যুগল নাচের জন্য জায়গা থাকে আলাদা।
নাচের মেঝে বড় হলেও এই পার্থক্য দূর হয় না। পরিবেশনার সময় একই মেঝে শিল্পীদের জন্য সংরক্ষিত থাকতে পারে। তাই হলের ছবি দেখে বোঝা যায় না, কতক্ষণ নাচের মেঝে ব্যবহার করা যাবে। সময়ের উল্লেখ না থাকলে, নাচের সুযোগ কতটা থাকবে তা অনিশ্চিতই থাকে।
ডুসেলডর্ফের কার্নিভাল সংস্কৃতিতে মুখোশের বল, বক্তৃতা, গান এবং নৃত্যদলের পরিবেশনা ছিল উৎসবের অংশ। তাই “বল” নামটি যে একটি সমৃদ্ধ মঞ্চানুষ্ঠানকেও বোঝাতে পারে, তা সহজেই বোঝা যায়। সে কারণে কোনো সামাজিক বল অনুষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাচের পার্টি নয়, আবার নিছক মঞ্চসজ্জাসহ নৃত্য পরিবেশনাও নয়।






