পায়ে জুতার আঁটসাঁটভাব আর বুটের ওপরের অংশের প্রস্থ এক বিষয় নয়
বুটটি তার আকৃতি ও বন্ধ করার ব্যবস্থার সাহায্যে তোমার পা ধরে রাখে। জুতার ছাঁচ, অর্থাৎ যে ছাঁচের ওপর জুতা তৈরি হয়, তা সামনের পায়ের পাতার প্রস্থ এবং পায়ের ওপরের অংশের জায়গাসহ আরও কিছু বিষয় নির্ধারণ করে। তাই বুটের ওপরের অংশ সরু দেখালেও জুতার ভেতরে তোমার গোড়ালি পিছলে যেতে পারে। ফিতায় বেশি টান দিলেই পায়ের আকৃতির সঙ্গে অসামঞ্জস্য নির্ভরযোগ্যভাবে ঠিক হয় না।
ফিতা থাকলে বিভিন্ন অংশে প্রস্থ নিজের মতো করে সামঞ্জস্য করতে পারো। পায়ের সামনের অংশে যেন চাপ না লাগে, আর পায়ের ওপরের অংশে ফিতা যেন পা ধরে রাখে। মডেলটিতে ফিতার পাশাপাশি জিপার থাকলে, ফিতা ঠিক করে নেওয়ার পর জিপারের সাহায্যে বুট পরা সহজ হয়। অন্যদিকে, শুধু জিপার থাকলে পায়ের ওপরের অংশের ভিন্ন উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ প্রায় থাকে না। ভেতরে ভাঁজ করা প্রান্ত ও জুতার জিহ্বা যেন কোনো শক্ত চাপের জায়গা তৈরি না করে।
দাঁড়িয়ে থাকলে আঙুলগুলো যেন মুঠো না করে আরামে নাড়ানোর মতো জায়গা পাওয়া দরকার। ছোট ছোট পা ফেললে গোড়ালি যেন স্পষ্টভাবে উঠে না আসে। দুই পায়েই পরীক্ষা করে দেখো, কারণ তাদের আকৃতি আলাদা হতে পারে। এক মাপ বড় নিলে জুতার দৈর্ঘ্য যেমন বাড়ে, তেমনি প্রায়ই ভেতরের জায়গাও বাড়ে। তাই শুধু প্রস্থে চাপ লাগলে, লম্বা বুটের বদলে অন্য ছাঁচের বুট নেওয়াই ভালো হতে পারে।



