পেরোতে গতিশিল্প ও দাদা সন্ধ্যাকে একসূত্রে বেঁধেছিলেন
জুরিখে দাদা ও নৃত্যের সংযোগের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ রয়েছে: সুজান পেরোতে ১৯১৬ ও ১৯১৭ সালে ক্যাবারে ভলতেয়ারের দাদা সন্ধ্যাগুলোতে অংশ নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে, জুরিখ ও আসকোনার পরিমণ্ডলে তিনি রুডলফ ফন লাবানের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীদের একজন ছিলেন। ফলে এখানে শিল্পের ইতিহাসের দুটি ধারণাই শুধু মিলিত হয় না, একজন মানুষের মাধ্যমে শিল্পচর্চার ধারাও পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়।
পেরোতের অংশগ্রহণ এই প্রেক্ষাপটে নৃত্যকে অংশগ্রহণমূলক শিল্প হিসেবে তুলে ধরে। একজন নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে থাকে শারীরিক অভিব্যক্তি, চলন এবং তার প্রভাব সম্পর্কে অভিজ্ঞতা। কোনো সন্ধ্যাকে শুধু লেখা বা কথার মাধ্যমে বিবেচনা করার চেয়ে এটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। বিষয়টি বোঝার জন্য প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ এই অংশগ্রহণ, কোনো নির্দিষ্ট চমকপ্রদ পরিবেশনার কল্পনা নয়।
অনুষ্ঠানের ধারণাটিও এখানে সহায়ক: কোনো শিল্পসন্ধ্যা মানেই এমন সন্ধ্যা নয়, যেখানে দর্শকরা একসঙ্গে নাচেন। একসঙ্গে নাচার পরিবেশ থেকে এর পার্থক্য ব্যাখ্যা করেছে জুরিখে সামাজিক নৃত্য বিষয়ক লেখাটি। পেরোতের দাদা-আয়োজনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বরং গতিশিল্প ও শিল্পানুষ্ঠানের সংযোগই মুখ্য। পরে তাঁর বিদ্যালয়কেন্দ্রিক কাজ তাঁর জীবনের আরেকটি অধ্যায়।





