মেঝে ও জুতার তলা সব সময় একসঙ্গে কাজ করে
নুরেমবার্গে খোলা জায়গায় নাচার সময় শুধু মেঝের ধরন জানলে তেমন কিছু বোঝা যায় না। নাচের মেঝে হিসেবে ঘোষিত জায়গাতেও জোড়, সংযোগস্থল বা অসমান অংশ থাকতে পারে। আসল বিষয় হলো, ঠিক সেই মেঝেতে তোমার জুতা কীভাবে সাড়া দেয়। হলঘরে আরামে পিছলে যায় এমন জুতার তলা পাথরের মেঝেতে যথেষ্ট গ্রিপ নাও দিতে পারে। আবার, বেশি গ্রিপযুক্ত রাবারের তলা ঘোরার সময় আটকে যেতে পারে, অথচ তোমার শরীর চলতে থাকে। এতে হাঁটু ও গোড়ালির জয়েন্টে চাপ পড়ে।
এমন মেঝে উপযুক্ত, যেখানে পিছলে না গিয়ে বা আটকে না থেকে তুমি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে শরীরের ভার সরাতে পারো। ছোট ছোট পা ফেলা ঝুঁকি কিছুটা কমায় ঠিকই, তবে অনুপযুক্ত মেঝেকে নিরাপদ করে তোলে না। আলগা পাথরের ফলক, গভীর জোড়, কাচের টুকরো এবং ভেজা মেঝে থাকলে সেই অংশ ব্যবহার কোরো না। ঘাসের মধ্যে গর্ত লুকিয়ে থাকতে পারে, আর নুড়ির ওপর পা পাশের দিকে সরে যেতে পারে।
হিল জুতা না পরেও নিজের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেতনভাবে শরীরের ভার সরানো ও ভারসাম্য রাখার প্রাথমিক বিষয়গুলো কাজে লাগবে। নুরেমবার্গের একজন অনুশীলনসঙ্গীর সঙ্গে প্রথমে উপযুক্ত মেঝেতে পরিচিত নড়াচড়াগুলো অনুশীলন করে নিতে পারো। তবে অনুষ্ঠানে মেঝে পরীক্ষা করা তবুও জরুরি: কোনো নাচের ধাপে অভ্যস্ত হওয়া মানেই নিরাপদে দাঁড়ানো নয়।







