সংযোগে জুটির অবস্থান বদলায়, তাল নয়
এই অনুশীলনের ধারায় একজন সামনের দিকে নেতৃত্ব দিয়ে এগোয়, আর অন্যজন পেছনের দিকে অনুসরণ করে। ফেদার স্টেপের শেষে নেতৃত্বদানকারী সঙ্গীর ডান পা সামনে থাকে, আর অনুসরণকারী সঙ্গীর বাঁ পা। তাই পরের ধাপের পা আগেই নির্ধারিত: বাঁ পা সামনে এবং ডান পা পেছনে। প্রস্তুতির জন্য আরও একটি ধাপ নিলে এই বিন্যাস উল্টে যাবে। এই দুই ধাপের মূল বিষয়গুলো ফেদার স্টেপ ও থ্রি-স্টেপসহ স্লো ফক্সট্রট (Slowfox) শেখা থেকে শিখে নিতে পারো।
আসল পরিবর্তনটা হয় একে অপরের তুলনায় তোমাদের অবস্থানে। ফেদার স্টেপ শেষ হয় সঙ্গীর বাইরের দিকে। থ্রি-স্টেপের প্রথম ধাপে তোমরা আবার স্বাভাবিক বন্ধ জুটির অবস্থানে ফিরে আসো। এখানে স্বাভাবিক বলতে বোঝায় সামান্য এক পাশে সরে থাকা, বুকের মাঝখান একেবারে বুকের মাঝখানের সামনে রাখা নয়। বাঁ পা সামনে এগিয়ে আবার জুটির অবস্থানের ভেতরের দিকে যায়, বাইরের পথ ধরে এগোয় না। শরীরের ওপরের অংশ এই পরিবর্তনের সঙ্গে নড়ে, তবে হাত দিয়ে সংযোগকে পাশের দিকে ঠেলে ঠিক করে না।
এই সংযোগের জন্য নতুন কোনো তাল বা অতিরিক্ত ঘূর্ণনধাপের দরকার নেই। তোমরা স্লো, কুইক, কুইক দুবার নাচো, অর্থাৎ আটটি সংগীতের তালে মোট ছয়টি ধাপ। তাই প্রথম নাচের অংশটি একটি তালের মাঝখানেও শেষ হতে পারে, নতুন একতালে পৌঁছানোর ঠিক আগে শেষ হওয়া জরুরি নয়। কাছাকাছি ঘরানার নাচগুলো সম্পর্কে ধারণা পেতে ফক্সট্রট (Foxtrott), স্লো ফক্সট্রট ও কুইকস্টেপ (Quickstep) শেখা নির্দেশিকাটি দেখে নিতে পারো।





