ছন্দ-গবেষণাগার থেকে আন্তর্জাতিক নাচের মঞ্চে
যারা ড্রেসডেনে সমসাময়িক নাচ খুঁজছেন, তারা সরাসরি হেলারউ (Hellerau)-এর নাম শুনতে পাবেন। ১৯১১ সাল থেকে প্রথম জার্মান গার্ডেন সিটিতে ফেস্টস্পিলহাউস হেলারউ নির্মিত হয়েছিল এবং এটি মূলত এমিল জ্যাক-ডালক্রোজের রিদমিক জিমন্যাস্টিকস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হতো। এখানে সংগীত, স্থাপত্যশৈলী এবং শারীরিক নড়াচড়া একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছিল। এই মিথস্ক্রিয়া থেকে শরীরের একটি সম্পূর্ণ নতুন ধারণা তৈরি হয়েছিল, যা এক্সপ্রেশনিস্ট নাচকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল। যদিও সেম্পারওপার ব্যালে-এর মতো দলগুলো শহরের ধ্রুপদী ঐতিহ্যকে সর্বোচ্চ স্তরে বজায় রাখে, ড্রেসডেনের উত্তরে এমন একটি জায়গা তৈরি হয়েছে যা সাহসী এবং অপ্রচলিত ফর্ম নিয়ে গবেষণার সুযোগ দেয়।
এই ঐতিহাসিক শিকড়গুলোই ব্যাখ্যা করে কেন এই শহরে সমসাময়িক নাচের গুরুত্ব আজও অপরিসীম। জার্মানিতে আধুনিক নাচের অর্জনগুলো এখন ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, যেখানে হেলারউকে একটি পথপ্রদর্শক সূচনা বিন্দু হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ভবনটি শুরু থেকেই কোনো জাদুঘর হিসেবে নয়, বরং শারীরিক অভিব্যক্তির একটি গবেষণাগার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।






